ডিসেম্বর 19, 2009

ব্লু টুইটার ক্লায়েন্টঃ আরেকটি গতানুগতিক ক্লায়েন্ট? নাকি অন্য কিছু?

টুইটার এখন আর কারো কাছেই অজানা কিছু নয়। আমরা সবাই কমবেশী টুইটারের সাথে পরিচিত। আর অনেকেই আমরা টুইটারের জন্য ডেডিকেটেড ক্লায়েন্ট ইউজ করি। গতকাল নেট সার্ফ করতে করতে উইন্ডোজের জন্য একটি অসাধারণ টুইটার ক্লায়েন্ট এর খোঁজ পেলাম। আসুন আমরা পরিচিত হই একদম নতুন ধরণের এক টুইটার ক্লায়েন্ট এর সাথে যার নাম হল ব্লু।

ব্লু এর ডেভেলপার হল থার্টিন২৩ নামের একটি কোম্পানি যাদের মূলমন্ত্র হল, “শুধু কর্মদক্ষতাই নয়, চাই আকর্ষণীয় ডিজাইন।” এই মটো অনুসারে তৈরী করা তাদের ব্লু টুইটার ক্লায়েন্টটি এককথায় অসাধারণ। এর ইন্টারফেসটি ইন্সট্যান্ট মেসেঞ্জারের আদলে তৈরী করা। এটাতে ট্রান্সপারেন্ট ইফেক্ট আছে যা খুব ভালোভাবে ভিস্তা বা উইন্ডোজ ৭ এর এরো থিমের সাথে ইন্টিগ্রেট করে। মাইক্রোসফটের ডট নেট ফ্রেমওয়ার্ক এর উপর ভিত্তি করে তৈরী করা এই ক্লায়েন্ট এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হল এর ইউনিকোড সাপোর্ট। আসুন আমরা ব্লুর সাথে আরো ভালোভাবে পরিচিত হইঃ

আনলিমিটেড টুইটঃ ব্লু দিয়ে আপনি স্ক্রল করে নীচে যাবার সাথে সাথেই টুইট ও লোড হবে। ফলে আপনার কখনো সেটিং থেকে টুইট সংখ্যা নির্ণয় করে দিতে হবে না। আনলিমিটেড টুইট দেখতে পাবেন।

বটম বারঃ এখানে মেইন টুইটার টাইমলাইন এর নীচে একটি বার এর মধ্যে হোম, ফেভারিট, @রিপ্লাই, ডাইরেক্ট মেসেজ, আপডেট এবং রিফ্রেশ নামে কয়েকটি বাটন রয়েছে যেগুলোর সাহায্যে অতি দ্রুত আপনার কাঙ্খিত ঘরটি দেখতে পারেন।

ইউজার প্রোফাইল দেখার ব্যবস্থাঃ আপনি কোন ইউজারের ইউজারনেম এ ক্লিক করে প্রোফাইল দেখতে পারবেন। সেখান থেকে আপনি চাইলে আনফলো/ব্লক করতে পারবেন। আর পাবলিক টাইমলাইন থেকে ইউজার প্রোফাইল দেখলে ইউজারকে ফলো করতে পারবেন। ইউজারের কোন টুইট ফেভারিট করার ব্যবস্থাও আছে।

রিপ্লাইঃ রিপ্লাই ট্যাব এর মাধ্যমে আপনি আপনার কাছে আসা @ রিপ্লাইগুলো দেখতে পারবেন। এতে ইউজারনেম এর পাশে একটি নীল তীর থাকবে। ওখানে ক্লিক করে আপনি কি ধারাবাহিকতায় আপনাদের কথোপকথন চলছে তাও দেখতে পারবেন।

মেসেজঃ মেসেজ ট্যাবের মাধ্যমে আপনি আপনার কাছে আগত মেসেজগুলো দেখতে পারবেন। এখান থেকে ইনবক্সের কোন মেসেজকে ডিলেট করতেও পারবেন।

টিনি ইউআরএল ইন্টিগ্রেশনঃ ব্লুতে টিনি ইউআরএল ইন্টিগ্রেট করা হয়েছে খুবই সুন্দরভাবে। এর ফলে আপনি কোন ওয়েব এড্রেস টাইপ করলে তা সাথে সাথে ছোট হয়ে যাবে। এখন আর আপনাকে আলাদা কোন সাইট থেকে এড্রেস ছোট করা বা আলাদা কোন বাক্সে এড্রেস টাইপ করা লাগবে না।

সেটিংসঃ এখানে সেটিং নামে একটা ট্যাব আছে যার সাহায্যে আপনি অডিবল টুইট, অটো লগইন, প্রক্সি সেটিংস, ট্রান্সপারেন্সি, রিফ্রেশ করার সময় ইত্যাদি কনফিগার করতে পারবেন।

ফেভারিটঃ আপনি কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে আপনার ফেভারিট হিসাবে নির্বাচন করতে পারেন। এতে আপনি আরো সহজে উক্ত ব্যক্তির টুইট পড়তে পারবেন এবং তার সাথে সহজে যোগাযোগ করতে পারবেন।

ইউনিকোড সাপোর্টঃ এডোব এয়ার এর উপর ভিত্তি করে তৈরী টুইটার ক্লায়েন্ট এর মাঝে টুইটডেক, টি হুয়ার্ল, ডেস্ট্রয় টুইটার অনেক জনপ্রিয় হলেও এডোব এয়ার প্ল্যাটফর্মে ইউনিকোড সাপোর্ট নেই। ফলে বাংলা দেখা যায় না। কিন্তু এই সমস্যাটি ব্লুতে নেই। কারণ ডট নেট ফ্রেমওয়ার্ক এ বাংলা ভালোভাবেই আছে। ফলে আপনি এয়ার এর মত আকর্ষণীয় ডিজাইন আর বাংলা দেখার সুবিধা দুইটাই পাচ্ছেন ব্লুতে।

এগুলো গেল সাধারণ বৈশিষ্ট্য। আসুন দেখি অন্যান্য কি কি বৈশিষ্ট্য আছে ব্লুরঃ

** অসাধারণ লগইন সাউন্ড আপনাকে মুগ্ধ করবেই।

**আপনি বক্সে কিছু টাইপ করে আপনার টুইটার আপডেট করার সময় ব্লু রিফ্রেশ হবে।

**যেকোন টুইটে ক্লিক করলেই তা ফ্লিপ করে একটি বক্সে পরিণত হয়।

**আপডেট বাক্সে বোল্ড সংখ্যাতে আপনার ক্যারেকটার কাউন্ট দেখানো হয় যা বেশ আকর্ষণীয়।

**ব্লুর রিফ্রেশ করার নোটিফিকেশন সিস্টেম এক কথায় অনবদ্য। এখানে আপনি ক্লায়েন্ট এর বর্ডার দিয়ে ছোট ছোট লাইন উপস্থিত থাকলে বুঝতে পারবেন যে রিফ্রেশ হচ্ছে।

এখনও যেসকল সুবিধা পাওয়া যাবে না ব্লু থেকে তা হলঃ

*মাল্টিপল একাউন্ট।

*ফন্ট মডিফেকিশন।

*সার্চ করার সুবিধা।

*bit.ly/ow.ly ইউআরএল শর্টেনার সাপোর্ট।

*অফলাইন ইন্সটলার।

ব্লু মূলত ভিস্তা এবং উইন্ডোজ ৭ এর কথা চিন্তা করে তৈরী করা হয়েছে। আপনি এক্সপিতেও ব্লু ইন্সটল করতে পারেন। তবে সে জন্য আপনাকে প্রথমে ডট নেট ফ্রেমওয়ার্ক ৩.৫ সার্ভিস প্যাক ১ ইন্সটল করতে হবে। ব্লু এর ট্রিগার ইন্সটলার ডাউনলোড করুন এখান থেকে।

তাহলে আর দেরী কেন? ঘুরে যান নীলের রাজ্য থেকে আর বিমোহিত হোন নীলের সৌন্দর্যে।

(আমি এখানে যেসকল ছবি ব্যবহার করেছি সেগুলো টেক এ ইউ থেকে নেয়া। ব্যক্তিগত গোপনীয়তার জন্য নিজের টুইটার একাউন্ট এর ছবি ব্যবহার করা থেকে বিরত থেকেছি।)

ডিসেম্বর 26, 2009

জিলা স্কুল বিদ্রোহঃ ১৫০ বছরের ইতিহাসে একমাত্র ছাত্র বিদ্রোহ

আমি ধানমন্ডি বয়েজ স্কুল থেকে বগুড়া জিলা স্কুল এ ভর্তি হই ০৬ এর শেষের দিকে। এমনিতে ধানমন্ডি বয়েজ এর থেকে জিলা স্কুল ভালো হলেও আমি ক্যান্টনমেন্ট এর মত পরিবেশ পাচ্ছিলাম না। তো যাই হোক, এভাবেই দিন কেটে যাচ্ছিল। আমরা ছিলাম ০৯ এর এস,এস,সি ব্যাচ। পরীক্ষার কিছুদিন আগে, অক্টোবর ০৮ এর দিকে আমাদের স্কুল এ জোর গুঞ্জন শুরু হয় যে আমাদের হেডস্যার শফিকুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে কিছু শিক্ষক দুর্ণীতির অভিযোগ তুলেছেন। এরকম প্রায়ই হয় বলে সাধারণ ছাত্ররা প্রথম দিকে এই বিষয়ে তেমন কোন কর্ণপাত করেনি।

আমরা জানতে পারলাম যে, জেলা প্রশাসকের কাছে স্যারের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করা হয়েছে। অনেকেই প্রথম প্রথম এই কথা বিশ্বাস করেনি। খবর রটে গেল যে স্যার ট্রান্সফার হচ্ছেন। আমাদের জিলা স্কুল এর সাথে গার্লস স্কুল এর দা কুমড়া সম্পর্ক। ছাত্ররা স্যারের ট্রান্সফারের বিষয়ে উদ্বিগ্ন ছিল কারণ স্যার চলে গেলে গার্লস স্কুলে এস,এস,সি পরীক্ষা দিতে হবে এবং সেখানে আমাদের ভালোভাবে গ্রহন করা হবে না। একদিন স্কুলে যাবার পরে দেখি স্যার বারান্দায় দাঁড়িয়ে থেকে কাঁদছে। সবাই শুনল স্যারের ট্রান্সফার হয়ে গেছে।

সেইদিন আমাদের প্রথম ক্লাশটা ভালোভাবে হল। স্যাররা আমাদের বুঝালেন যে আমরা যেন বোকার মত কিছু না করি কারণ তাতে লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশি হবে। কিন্তু কে শোনে কার কথা। প্রথম ক্লাশ পরেই সবাই ঠিক করল যে মালেক স্যার (যিনি এই সব কিছুর হোতা) এর বিরুদ্ধে একশন নেয়া হবে। ক্লাশের দরজা লাগিয়ে দেয়া হল। এইবার ক্লাশের গুন্ডা মত কিছু ছেলে প্ল্যান ঠিক করল কিভাবে কি করা হবে। আমরা তো শুনে থ। কিন্তু কিছুই বলার নেই। প্ল্যান অনুসারে, টিফিন এর ঘন্টা বাজার সাথে সাথে আমাদের ক্লাশের ৫২ জনের মাঝে ৪৯ জন নীচে নেমে যায়। মেইন গেটের কাছে গিয়ে সংকেত দেবার সাথে সাথেই বাকী ৩ জন (আমি এই দলে ছিলাম) ব্যাগগুলো ফেলতে শুরু করি। এভাবে সব ব্যাগ ফেলা হয়ে গেলে আমাদের নামতে বলা হয়। এমন সময়ে স্যাররা বুঝে ফেলেন যে কিছু একটা হচ্ছে। তাঁরা দলে দলে গেটের দিকে হানা দিতে থাকলে ছাত্ররা (যারা জমা হয়েছিল) যে যে যার যার মত করে গেট টপকে পালিয়ে যায়।

সবাই পালিয়ে গিয়ে মালেক স্যারের বাসার সামনে জমা হয়। সেখানে গিয়ে স্যারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়া হয়। কিন্তু স্যার বাসায় ছিলেন না। স্যারের মিসেসও আমাদের শিক্ষিকা। উনি এসে ছাত্রদের শান্ত করার চেষ্টা করতে থাকেন। কিন্তু ছাত্ররা শান্ত হবার বদলে আরো উত্তাজিত হয়ে ওঠে এবং ইট পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে ম্যাডাম এবং স্যারের বাসা লক্ষ্য করে। এতে বাসা বেশ ক্ষতিগ্রস্থ হয়। লক্ষ্য ছিল বাসা লুট করা হবে। এরকম সময়ে কিছু বিক্ষোভকারী ছাত্র ককটেল নিক্ষেপ করে বাসা বরাবর। ম্যাডাম তার ছেলেদের নিয়ে বাসা হতে পালিয়ে যায় আর পুলিশ ছাত্রদের ছত্রভংগ করে দেবার জন্য তৎপর হয়ে উঠে। এই অবস্থায় উপায় না দেখে ছাত্ররা মিছিল বের করে।

মিছিল নিয়ে স্কুলে ফিরে আসার পথে ছাত্র-পুলিশ-র‌্যাব ত্রিপাক্ষিক সংঘর্ষ হয় বেশ কয়েকবার। কিন্তু ছাত্রদের উপর পুলিশের সরাসরি আঘাত করার ব্যপারে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ছিল বলে বারবারই ছাত্ররা বিজয়ী হয়। এক সময় ছাত্ররা স্কুল এ পৌঁছে কমন রূমে সকল বিদ্রোহি স্যারদের কোণঠাশা করে ফেলে। প্রভাতী আর দিবা শাখার সকল ছাত্রদেরমাঝে স্যাররা শুধু অসহায় এর মত তাকিয়ে থাকা ছাড়া আর কিছু করতে পারছিলেন না। সেখানে স্যারদের কথা আদায় করা হয় যেন বিক্ষোভকারী ছাত্রদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেয়া হয়, স্যারেরা স্বেচ্ছায় বগুড়া হতে বদলী নিবেন এই জাতীয় কিছু ব্যপারে। মালেক স্যারকে আর কখনো বগুড়াতে ঢুকতে বেয়া হবে না বলেও সিদ্ধান্ত হয়। স্যাররা সবাই গিয়ে শফিক স্যার এর কাছে দুঃখ প্রকাশ করবেন এবং মালেক স্যার মাফ চাইবেন। এইভাবেই ছাত্রদের আংশিক বিজয়ের মাধ্যমে ঘটনাটির নিষ্পত্তি হয়।

কারণঃ আমাদের প্রি-টেস্ট পরীক্ষা চলার সময়ে গুজব রটে যায় যে মালেক স্যার প্রশ্নপত্র তার ছাত্রদের কাছে ফাঁস করেছেন। পুলিশি তদন্ত হবার পরে মালেক স্যারের পরীক্ষার আগের দিন প্রদত্ত সাজেশন এর সাথে আসল প্রশ্নের ৯০% মিল পাওয়া গেলে আমাদের প্রধান শিক্ষক ওনাকে প্রচন্ডভাবে অপমান করেন। এতে তাঁর বিরুদ্ধে মালেক স্যারের ক্ষোভের সঞ্চার হয়। তিনি সমমনা কয়েকজনকে নিয়ে হেড স্যার এর বিরুদ্ধে চক্রান্ত শুরু করেন। এছাড়া শফিক স্যারও অর্থ নিয়ে কিছু নয় ছয় করেছিলেন।

ফলাফলঃ শফিক স্যার বরিশালে বদলী হয়ে যান অর্থ নয় ছয় এবং বিদ্রোহে ইন্ধন যোগানোর অভিযোগে। এছাড়া ৩০ জন শিক্ষকের মাঝে ২১ জন বিভিন্ন জায়গায় বদলী হন। এনাদের মাঝে অনেক ভাল এবং শান্তিপ্রীয় শিক্ষকও ছিলেন। মালেক স্যার এর বদলী হয় রাজশাহীর বাগমারায়। ২২ জন নতুন শিক্ষকের একসাথে আগমন গোটা স্কুলের ইতিহাসের একমাত্র ঘটনা। এর পরে স্কুলের অনেক উন্নতি হয়, স্যারেরা ছাত্রদের ব্যপারে অধিক মনোযোগী হন এবং নিয়মিত ছাত্র-শিক্ষক মতবিনিময় ঘটে। তবে ছাত্রদের এই বিদ্রোহের জন্য কখনোই দোষারোপ করা হয়নি।

নভেম্বর 1, 2009

Fix windows boot problem after installing Fedora or Suse

I was an Ubuntu fan for long since but It’s not in my nature to settle on anything. So for few days I was searching for a good mainstream alternative of Ubuntu. I’ve found Fedora,Suse,Sabayon,Puppy,DSL,PCLOS,Few BSDs,Solaris etc. Among them I’ve only been successful to connect net in Fedora. So last week I decided to make a permanent switch from Ubuntu to Fedora. Then I installed Fedora 11 Leonidas with GNOME environment. I choose “replace existing linux partition” on the partition editor so that I can avoid hassle. But something went wrong!!! (I did try to set up a custom partition and indicate my ubuntu drives and replace the Ubuntu “/” with Fedora “/”. The output is same)

The installation was a charm. Problem which occurs is that I can’t boot into my windows after installing Fedora. There is indeed an option called “Others” but clicking on it does nothing except hanging the entire system up. After doing a lot of research I’ve figure the how to. I’m sharing it with you. Same process should be followed on Suse.

1)Boot into Fedora.
2)Open up Terminal. Acquire root privilege followed by the command “fdisk -l”
3)The output should be something like this:

Disk /dev/sda: 80.0 GB, 80026361856 bytes
255 heads, 63 sectors/track, 9729 cylinders
Units = cylinders of 16065 * 512 = 8225280 bytes
Disk identifier: 0×5ea4f703

Device Boot Start End Blocks Id System
/dev/sda1 1 5379 43206786 7 HPFS/NTFS
/dev/sda2 5380 7167 14362110 5 Extended
/dev/sda3 * 7168 9729 20579265 7 HPFS/NTFS
/dev/sda5 5380 7143 14169298+ 83 Linux
/de
v/sda6 7144 7167 192748+ 82 Linux swap / Solaris

Look at the * marked partition. It’s my windows partition (C:\). We have to edit the grub file now.

4)Become root and use your favorite text editor to open up the grub.conf file located in “/boot/grub”. Use the following command to do that:
“gedit /boot/grub/grub.conf”
A file will be opened. Add the following lines at the end of the file:

title Microsoft Windows XP
root (hd0,2)
savedefault
makeactive
chainloader +1

Title is what you will see as your windows partition in The boot menu. The second line is specially important. (hd0,2) your windows partition is in your primary hard drive (Linux starts counting with 0) and 2 means it’s on sda3 (sda3 was the drive with the * sign).

5)save the file and reboot your computer. See whether works or not. It should work.

অক্টোবর 15, 2009

কলেজ পালানোর ইতিকথা

আগে যখন ক্যান্টনমেন্ট স্কুলে পড়তাম তখন ছিলাম সবচেয়ে নিরীহ ছেলেদের মাঝে একজন। কিন্তু ধানমন্ডি বয়েজ আর বগুড়া জিলা স্কুল এ পড়ার সময় নিজের ব্যপারে আত্মবিশ্বাস জন্মে ( যা পরবর্তীতে ভাল ও খারাপ উভয়ই বয়ে আনে) । মাধ্যমিকে A+ পেয়ে আমার প্রিয় প্রতিষ্ঠান বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট কলেজ এ ভর্তি হই। কলেজ এ এসে বেশ কিছু পরিবর্তন খুঁজে পাই নিজের মাঝে। ক্লাশ ভালো লাগে না। সবসময় নেট নিয়ে চিন্তা করতে ইচ্ছা করে। ব্লগ,ফেসবুক,টুইটার,জিম্প,সি এগুলো ফিজিক্স,কেমিস্ট্রি এই সাবজেক্টগুলোর চেয়ে ভালো লাগে (যদিও একাডেমিক রেজাল্ট এ নিজের মান এখন পর্যন্ত ধরে রেখেছি) । আরও একটা জিনিষ প্রচন্ড ভালো লাগে। কলেজ এ ভর্তি হবার পরে যা প্রায় নিয়মিত ঘটছে তা হল ক্লাশ পালানো।

আমাদের কলেজটি বিশাল ক্যাম্পাস জুড়ে অবস্থিত। সেনানিবাস বলে আবাসিক এলাকাও আছে। কলেজ এ কিছু বিরক্তিকর ক্লাশ এ সবসময় পালাতাম (পদার্থ, উদ্ভিদবিজ্ঞান)। বেশ মজা লাগত। তবে আমার জীবনের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর পালানোর অভিজ্ঞতা হয়েছে গত শনিবার।

সকালে ক্লাশে আসার পরেই দেখি বন্ধুরা বলছে আজ ক্লাশ করবে না। চল পালাই। তথাস্তু। ব্যাগ নিয়ে ক্যান্টিন এ গেলাম।প্রথম পিরিওড এ আগে কখনও পালানো হয় নাই বলে বেশ অস্বস্তি বোধ করছিলাম। এসব চিন্তা করতে করতেই ঘন্টা পড়ে গেল। এখন তো আর ফেরার কোন উপায় নেই। বসে বসে ক্যান্টিন এ আড্ডা দিতে লাগলাম কমার্স আর আর্টস এর সাথে। কিছুক্ষন পরে দেখি আমাদের ম্যাথ টিচার আসছে। দৌড় দিলাম ক্যান্টিন থেকে। বাইরে ঘোরাঘুরি করতে থাকলাম ৩-৪ জন। গোটা ক্যাম্পাস এ আর কেউ নাই। ম্যাথ ম্যাডাম ক্যান্টিন এ যারা ছিল তাদের তেমন কিছু বলল না। আমরা যেই ভাবছি ক্যান্টিন এ আবার ফিরে যাব কিনা ঠিক তখনই দেখি আমাদের ফরম মাস্টার (সরোজ স্যার) আসছে। উনি সমগ্র কলেজ এর কঠিনতম টিচারদের মাঝে একজন। আমাদের তো মাথায় বাজ পড়ার মত অবস্থা। কারণ ব্যাগ আছে ক্যান্টিন এ। ক্যান্টিন এ যারা ছিল তাদের সবাইকে স্যার সারিবদ্ধা করে দাঁড়া করিয়ে গালাগালি করতে থাকল। এদিকে আমি হলাম ক্যাপ্টেন আর আমার সাথে যারা ছিল তারা হল স্যারের চোখে “বিখ্যাত শয়তান”। আমার তো ভয়ে আত্মারাম খাঁচাছাড়া হবার যোগাড়। একজনকে দিয়ে অনেক কষ্ট করে নিজের ব্যাগ নিয়ে আসলাম। এরপরে এক দৌড় দিয়ে বাস স্ট্যান্ড এ। একটা বাসের পাশে দাঁড়িয়ে থেকে তিনজনে গল্প করছি। দেখি আমাদের ইংরেজি স্যার কমার্সের একজন টিচারের সাথে আমাদের দিকেই আসছে। আমার বাকী তিন বন্ধু বাসের উল্টোদিক দিয়ে দৌড়। আমি এক চক্কর দিয়ে আবার আগের যায়গায় ফিরে আসি। আমি ভেবেছিলাম স্যারেরা চলে গিয়েছে। এইটাই ছিল আমার সবচেয়ে বড় ভুল। বাসের এক চক্কর ঘুরে এসে দেখি স্যারেরা আমার জন্য অপেক্ষা করছে। পড়লাম ধরা। অনেক বকা খেলাম। আমার কাঁধে ব্যাগ ছিল বলে আমি অনেকটা বেঁচে যাই। স্যারকে বলি আমার আসতে দেরী হয়ে গেছে তাই এর পরের ঘন্টায় ক্লাশে ঢুকব। স্যার তবুও গালাগালি করে বলল তখনই ক্লাশে যেতে। আমিও বললাম যাচ্ছি স্যার। এদিকে মাথায় তো ঝড় উঠে গেছে যে ক্লাশে সবাই আমাকে পালাতে দেখেছে আমি কিভাবে ফেরত যাব। ফেরত যেতে লাগলাম আর আস্তে আস্তে পিছিয়ে পড়তে লাগলাম। কিছুক্ষণ পরে দেখি স্যারেরা এগিয়ে এগিয়ে গেছে আর আমি পিছনে। আর পায় কে। ঘুরে দে উল্টা দিকে দৌড়। যেয়ে দেখি বাকী তিনজন বসে আছে ক্যান্টিন এ। এরপর আর কি। যেয়ে প্রতিজ্ঞা করলাম এরপর থেকে ক্লাশ পালিয়ে আর ক্যাম্পাস এ থাকব না।

এর পরের দিন পালিয়ে সরাসরি বি ব্লক এ একটা বন আছে ওখানে গিয়েছিলাম। সে কথা অন্য কোন দিন হবে।

অক্টোবর 12, 2009

We are aware of Swine Flu

Few days back some of my friends came to my home with new hope and aspiration flickering on their mind. When I asked them what happened they were feeling very shy. After some moments one of them explained the matter to me that they have made a new film for the Children Film Festival which was being held here in Bogra. I was just wondering whether they were joking or not but found out they were serious. Then there was a long pause. Few days back I saw a notification in FaceBook that they have won the first prize in the Festival for their work. I was just jumping in excitement that some of my very intimate friends have made the impossible possible.

Ther are some technical glitches. But consider the lack of instruments and the shortage of time. The whole project took only 6 hours to be finished. All the actor in this clip are fresh and this is their first acting. So not bad as a starter. The sole target of this video was to rise conciousness among the people about Swine Flu. Well direction,Good cinematography,Strong and subtle acting and above all simplicity has been it’s trademark.

The whole video has been recorded using a Nokia 5320 Xpress Music phone. All the editing has been done by the Phone. No computer programe has been used. I am sharing the video with you.

Published under Creative Commons by nc-dc (You can use it for non commercial purpose without anyone’s concent. But you have to take written permission from The creator or from the Film Society to use it for commercial purpose)

Please let me know whether you like it or not.

অক্টোবর 9, 2009

গুগল ওয়েভঃ ভবিষ্যতের যোগাযোগ মাধ্যম

 

 গুগল সম্প্রতি শেষ হওয়া গুগল কনফারেন্স এ কথা দিয়েছিল অসাধারণ কিছুর সাথে আমরা পরিচিত হতে যাচ্ছি এবং তারা তাদের কথা রেখেছে। গুগল ম্যাপস এর প্রস্তুতকারক লার্স এবং জেন্স রাসমুসেন তাদের সিডনী ল্যাব এ দুই বছর ধরে এর একটা প্রোটোটাইপ বানিয়েছেন। সম্প্রতি এটা ডেভেলপারদের পরীক্ষা করার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। আমি আজ সকালেই গুগল ওয়েভ পরীক্ষা করার সুযোগ পেলাম। প্রথম দর্শনেই বেশ ভালো লাগে। আসুন দেখি জিনিষটা কেমন। 

 

বর্তমান বিশ্বে অনলাইন কমিউনিকেশন বলতে আমরা দুইটি জিনিষকে বুঝে থাকি। ই মেইল যেটা কিনা চিঠির বিকল্প এবং ইন্সট্যান্ট মেসেজ যেটা কিনা মোবাইল কলের বিকল্প হিসাবে কাজ করে। গুগল এই দুইটা মাধ্যমকে একিভূত করে ফেলার একটি অভিনব চিন্তা করে এবং এ থেকেই ওয়েভ এর ধারনাটি আসে। ওয়েভ এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হল এখানে যা ঘটে তা সবই রিয়েল টাইম।  ওয়েভ জাভা দিয়ে লেখা এবং OPENJDK ফরম্যাট ইউজ করা হয়েছে ওয়েভ তৈরী করতে।

 

 

গুগল ওয়েভ আপনাকে আপনার বন্ধু কি টাইপ করছে তা সাথে সাথেই দেখতে দেয় (অবশ্য আপনি চাইলে এইটা বন্ধ করে দিতে পারেন)। আপনি একটি ইমেইল এ যা যা পাঠাতে পারেন (এটাচমেন্ট, rtf, টেক্সট ফরম্যাটিং) এ সবই ওয়েভ এর মাধ্যমে পাঠাতে পারেন এবং আপনার কন্টাক্ট আপনি কি টাইপ করছেন তা দেখতে পাবে আপনি টাইপ করার সাথে সাথেই। এ প্রসঙ্গে রাসমুসেন ভাতৃদ্বয় বলেন, “ কথাবার্তা এবং ডকুমেন্ট এর সমন্বয়ই হল ওয়েভ। এখানে সবাই ছবি,ভিডিও,ম্যাপ এবং আরও অনেক কিছু আদান প্রদান করতে পারবে। ”

 

গুগল ওয়েভ এর হোমপেজ

গুগল ওয়েভ এর হোমপেজ

 

  ওয়েভ এর কিছু অদ্বিতীয় বৈশিষ্ট্যঃ 

 

**আপনি অপর প্রান্তে কি টাইপ করা হচ্ছে তা সাথে সাথে দেখতে পারছেন। এটা আগে কেউ কখনও করে নাই।

 

**আপনি আপনার ওয়েভকে আপনার ব্লগ,মাইস্পেস বা যেকোন যায়গায় এমবেড করে দিতে পারেন।

 

**আপনি একটি চলতি ওয়েভ এ যোগ দিতে পারবেন। শুধু শেষেই নয় যে কোন যায়গায়। আর অনেক বড় ওয়েভ এর ক্ষেত্রে আপনার মনে হলেই আপনি প্লেব্যাক করতে পারবেন।

 

**আপনি একটি প্রবন্ধ উইকিতে যেভাবে এডিট করেন এখানেও মেসেজ সেভাবে এডিট করতে পারবেন। আপনি কিছু এডিট করলে প্রকৃত লেখক অবহিত হবেন এবং সবাই পরিবর্তন দেখতে পাবে এবং এই ব্যাপারে নিজস্ব মতামত জানাতে পারবেন।

 

 

 

 

 

থ্রেডেড ওয়েভ

থ্রেডেড ওয়েভ

 

 

 

এই পরিবর্তনগুলো দেখে মনে হচ্ছে কথাবার্তা অচিরেই শেয়ারড ডকুমেন্ট এ রূপ নিবে। আপনার যদি মনে হয় একটি ওয়েভ বেশি বড় হয়ে যাচ্ছে আপনি ওয়েভটির কিছু অংশ অন্য কোথাও এক্সপোর্ট করে সেখান থেকে আবার শুরু করতে পারবেন।

 

** ওপেন জেডিকে ব্যবহার করার জন্য গুগল ওয়েভ সম্পুর্ণ ওপেন সোর্স এবং এক্সটেন্ডেবল। এর মাধ্যমে ডেভেলপাররা নিজেদের পছন্দ মত কাস্টমাইজেশন যোগ করতে পারবেন ফাইনাল লাঞ্চ এর আগে।

 

**আপনাকে কোন ফাইল শেয়ার করার জন্য আর এটাচ করার দরকার হবে না। আপনি এখন থেকে ওয়েভ এর বক্স এ কোন ফাইল এনে ছেড়ে দিলেই তা সবাই ডাউনলোড করতে পারবে।

 

**আপনি এখান থেকে স্পেলিং সাজেশনও পাবেন।

 

 

প্ল্যাটফরম হিসাবে ওয়েভঃ 

গুগল ওয়েভ একটি HTML 5 এপ যা Google Web Toolkit এর উপর ভিত্তি করে তৈরী। এতে একটি সমৃদ্ধ টেক্সট এডিটর এবং ডেস্কটপ ড্র্যাগ এবং ড্রপ আছে। গুগল ওয়েভ টিম কোর ওয়েভ কে সমস্ত অতিরিক্ত সুবিধা দিয়ে স্লো করেননি। বরং তারা বেশ কিছু ফিচার API মাধ্যমে ছেড়েছেন যাতে মূল প্রোডাক্ট স্লো না হয়ে যায় একই সাথে যেন তৃতীয় পক্ষ উপকৃত হয়। এরকম কিছু ফিচার হলঃ

 

পোলিঃ এর মাধ্যমে আপনি আপনার ওয়েভ এর মাঝে কোন ভোট যুক্ত করতে পারবেন এবং তা হবে বরাবরের মতই রিয়েল টাইম। এখানে আপনাকে ফলাফল দেখতে হলে রিফ্রেশ করতে হবে না। যেমন এই ছবিতে একটি মিটিং এ কে কে অংশ নিতে পারবে আর কে কে পারবে না সেই ব্যাপারে ভোট আয়োজন করা হয়েছে।

 ব্লগিঃ   এর মাধ্যমে আপনি আপনার ব্লগ পোস্টকে একটি ওয়েভ এ পরিণত করতে পারবেন। যখন কেউ এতে কমেন্ট করবে তখন সে কথপোকথন এ যোগ দিবে।

লাইভ টাইম পোল

লাইভ টাইম পোল

 

স্পেলিঃ ওয়েব এর স্পেল চেকার এর চেয়ে আপনি এইটাতে আরও কিছু অতিরিক্ত সুবিধা পাবেন।

 

লিঙ্কিঃ   লিঙ্কি আপনি আপনার ওয়েভ এ কোন লিঙ্ক ইনসার্ট করলে তা কোন সাইট থেকে আগত তা যাচাই করবে এবং আপনাকে ঐ লিঙ্কটি রিচ টেক্সট ফরম্যাট এ ওয়েভ এ ইনসার্ট করার সুযোগ দিবে।

 

বাগিঃ  বাগি দিয়ে আপনি বাগ রিপোর্ট করতে পারবেন।

 

ম্যাপঃ গুগল ম্যাপস এর কোন ম্যাপ আপনি এখানে এমবেড করতে পারবেন কোন ইভেন্ট এর প্ল্যানিং করার জন্য।

 

বিডারঃ ওয়েভ কে একটি নিলাম এ পরিণত করতে এর কোন বিকল্প নেই।

 

 

টোয়েভঃ- টুইটার + ওয়েভঃ

আপনি এই এক্সটেনশনের সাহায্যে (আসল নাম টুইটি) আপনার টুইটার ফিড ওয়েভ এ দেখতে পারবেন। তবে শুধু টুইটার এর ফিড দেখাই নয়। রিপ্লাই,আর্কাইভ এবং প্লেব্যাক ও করতে পারবেন।  

 

 

গেমসঃ

অনলাইন এ লাইভ গেমও আপনি ওয়েভ দিয়ে খেলতে পারবেন। ফেসবুকে যেমন আপনি খেলতে পারেন তেমনে ওয়েভ এও খেলা যাবে।

 

 

দাবা খেলা হচ্ছে

দাবা খেলা হচ্ছে

 

 

টার্মিনোলোজিঃ

ওয়েভ ব্যবহারের আগেই চলুন কিছু ওয়েভ রিলেটেড টার্ম জেনে নেই।

 *ওয়েভঃ ওয়েভ বলতে আমরা বুঝি কথোপকথনকে। এই কথোপকথনে একজন, কয়েকজন এমনকি বট রাও অংশ নিতে পারে।

 *ওয়েভলেটঃ একটি ওয়েভ এর কিছু অংশকে ওয়েভলেট বলা হয়।

 *ব্লিপঃ প্রতিটা একক মেসেজকে এক একটি ব্লিপ বলা হয়।

 *রোবটসঃ এরা ওয়েভ এর মাঝে প্রবেশ করতে পারে এবং কিছু পূর্বনির্ধারিত কাজ (যেমন আবহাওয়ার সংবাদ দেওয়া) করতে পারে।

 

আমার মনে হয় আপনাদের কাছে ওয়েভ ভাল লাগবে। আপনারা এখানে কমেন্ট করলে আমি আপনাদের ইনভাইটেশন পাঠাতে পারি। তবে পাঠানোর পরে ইনভাইটেশন পেতে ১ সপ্তাহ সময় লাগবে।

অক্টোবর 8, 2009

উবুন্টু লোকালহোস্টে ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টলেশন

ওয়ার্ডপ্রেস নিজের ডোমাইন এ ব্যবহার করতে গেলে প্রথমে ডাউনলোড করে কনফিগার করতে হয়। কাজটা এমন কিছুই কঠিন না সবাই পারবেন আশা করি। চলুন দেখি কিভাবে কমান্ড লাইনকে যথাসম্ভব এড়িয়ে গিয়ে কাজটি করা যায়ঃ

লিনাক্স এ localhost সেটআপ করতে হলে আমাদের LAMP সার্ভার ইনস্টল করতে হবে। LAMP এর অর্থ হল Linux,Apache,MySQL,PHP।   ল্যাম্প ইনস্টল করার জন্য সাইন্যাপ্টিক হতে এডিট মেনুতে ক্লিক করে Install by Task নির্বাচন করুন। এখন একটি তালিকা পাবেন। ওখান থেকে LAMP Server নির্বাচন করুন। এরপর Apply করলে ৪০ মেগা নামাতে হবে। এরজন্য আপনাকে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে। নামানো হয়ে গেলে যখন ইনস্টল করবে তখন MySQL এর একটি পাসওয়ার্ড চাইবে। আপনাকে পাসওয়ার্ড দিয়ে ওকে করতে হবে।

এবার টার্মিনাল চালু করে আমাদের নিজেদের ডাটাবেস তৈরী করতে হবে। আমাদের ডাটাবেজ এর নাম যদি হয় blog তাহলে আমাদের লিখতে হবে

mysql -u root –p . এরপর কিছু লেখা দেখাবে এরকমঃ

nirjhor@nirjhor-laptop ~ $ mysql -u root -p
Enter password:
Welcome to the MySQL monitor. Commands end with ; or \g.
Your MySQL connection id is 33
Server version: 5.0.75-0ubuntu10.2 (Ubuntu)

Type ‘help;’ or ‘\h’ for help. Type ‘\c’ to clear the buffer.

mysql>

এখন টাইপ করুন create database blog; এখন

mysql> create database blog;
Query OK, 1 row affected (0.00 sec)

এরকম কিছু দেখানোর কথা। যদি তা দেখায় তাহলে কাজ হয়েছে। আপনি এখন quit লিখে বের হয়ে আসতে পারেন। এইবার আমাদের /var/www ফোল্ডারের পার্মিশন চেঞ্জ করে দিতে হবে। একটি টার্মিনাল খুলে লিখুন

sudo chmod a+rwx /var/www

এখন আবার এই লাইনটি লিখুন

sudo gedit /etc/apache2/apache2.conf

একটি ফাইল আসবে যার নিচে এই লাইন দুইটি যোগ করুন

AddType application/x-httpd-php .php .phtml
AddType application/x-httpd-php-source .phps

এবার wordpress.org থেকে .tar.gz ফাইলটি নামায় নিয়ে এক্সট্রাক্ট করুন। এক্সট্রাক্টকৃত ফাইলগুলা /var/www ফোল্ডারে নিয়ে যান। এখানে আগে থেকে যে index.html ফাইলটি আছে তা মুছে ফেলুন। আবার কমান্ড লাইন চালু করে লিখুন sudo /etc/init.d/mysql restart। আমাদের কাজ শেষ।

আপনার ব্রাউজার ওপেন করে localhost লিখুন এড্রেস বারে। এবার অন স্ক্রীন গাইড ফলো করুন। ডাটাবেজ নেম হল localhost  এবং MySQL ইউজারনেম হল root। ব্যাস আপনারা এখন লগইন করে ইউজ করতে পারবেন আপনার লোকালহোস্টেড ব্লগ।

আপনার মতামত ও পরামর্শ জানাবেন।

অক্টোবর 5, 2009

ওয়েব এর কিছু অজানা সার্ভিস

আমরা অনেকেই নেট ইউজ করি। কিন্তু নেট এ আমাদের কাজ বড়ই গতানুগতিক হয়ে যাচ্ছে দিনেদিনে। নেট ইউজারদের একটি বড় অংশই হল টিনএজ ছেলেমেয়েরা। দুঃখজনক হলেও সত্যি, অনেকের কাছে ইন্টারনেট মানেই ফেসবুকে স্ট্যাটাস আপডেট করা আর ইয়াহুতে চ্যাট করা। আমি অনেকেকেই সাইবার ক্যাফেতে টাকা খরচ করে এইসব করতে দেখেছি। আজ আমি আপনাদের সামনে নেট এর কিছু সুন্দর কিন্তু এদেশে কম জনপ্রিয় সার্ভিস এর কথা বলব। সবগুলো সার্ভিসই কিন্তু ফ্রি (যদিও প্রো সার্ভিস আছে কিন্তু ফ্রি একাউন্ট দিয়েই ভাল কাজ চলে যায়)

*টুইটারঃ বাইরের দেশ গুলোতে তুমুল জনপ্রিয় কিন্তু আমাদের দেশে টেকি ছাড়া আর সবার মাঝে প্রায় অপরিচিত একটি সার্ভিস এর নাম হল টুইটার। এটি একটি মাইক্রো ব্লগিং সার্ভিস। জীবনের ছোট ছোট ঘটনাগুলো যেগুলো ফেসবুকে লেখা যায় না তা অন্যের সাথে শেয়ার করার জন্যই টুইটার এর জন্ম। যাদের চ্যাট ছাড়া অন্যদের সাথে যোগাযোগ করার ইচ্ছা আছে কিন্তু ব্লগ লেখার সময় বা সুযোগ নেই তাদের জন্য টুইটার। এখানে আপনি অন্যদের সাথে @ রিপ্লাই এর মাধ্যমে কথা বলতে পারবেন। ব্যক্তিগত বার্তা আদান প্রদান করতে পারবেন। এমনকি এই মুহূর্তে আলোচনার ট্রেন্ডিং টপিক কি তাও জানতে পারবেন। এক কথায় খুবই সুন্দর একটি সার্ভিস। ২০০৬ সালে যাত্রা শুরু করা সাইটটি বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম বেশি হিট পাওয়া সাইট।

My Twitter

My Twitter

**টুইটার এর লিঙ্কঃ http://www.twitter.com/

**একইরকম আরেকটি সাইটঃ http://www.friendfeed.com/

*ফ্লিকারঃ ইয়াহু এর চ্যাট ব্যবহার করেই আমরা সবাই খুবই আনন্দে থাকি। কিন্তু ইয়াহু এর যে আরও অনেক সুন্দর সুন্দর সার্ভিস আছে তা আমাদের অনেকেই জানিনা। এরকম একটি সার্ভিস হল ফ্লিকার। ফ্লিকার হল একটি ফটো শেয়ারিং ওয়েবসাইট। এখানে আপনি ছবি আপলোড করতে পারবেন। অন্যের আপলোড করা ছবি দেখতে পারবেন। মন্তব্য করতে পারবেন। গ্রুপ আছে যোগ দিতে পারবেন। ছবি ট্যাগ,ব্যাচ ইত্যাদি সবই করা যায় এখান থেকে। ফ্লিকার এর নরমাল এবং প্রো উভয় ধরণের একাউন্ট ই আছে। নরমাল একাউন্টে আপনি ৯০ সেকেন্ড এর বেশি বড় ভিডিও রাখতে পারবেন না এবং মাসে মাসে ১০০ মেগাবাইট আপলোড লিমিট থাকবে। প্রো একাউন্ট এ কোন রেস্ট্রিকশন থাকবে না। ফ্লিকার ইয়াহু এর একটি অঙ্গসংগঠন বলে আপনি আপনার ইয়াহু আই ডি দিয়েই ফ্লিকার ব্যবহার করতে পারবেন।

A Flickr screenshot

A Flickr screenshot

**ফ্লিকার এর লিঙ্কঃ http://www.flickr.com/

**একইরকম আরেকটি সাইটঃ http://picasaweb.google.com/

*ভিমিওঃ ভিমিও হল একটি ভিডিও শেয়ারিং ওয়েবসাইট। আমরা প্রায় সবাই ভিডিও আদান প্রদান করার জন্য একমাত্র সাইট হিসাবে ইউটিউবকেই জানি। কিন্তু ভিমিও হল একটি ভালো বিকল্প ইউটিউব এর। কারণ এখানে আপনি হাই ডেফিনেশন ভিডিও আপলোড করতে পারবেন। নিজের প্রোফাইল খুলতে পারবেন। এভাটার সিলেক্ট করতে পারবেন। কোন ভিডিও এখান থেকে সরাসরি আপনার ব্লগে বা ইয়াহু মেমেতে সংযুক্ত করতে পারবেন। কারো আপলোড করা ভিডিওতে মন্তব্য করতে পারবেন বা পছন্দ করতে পারবেন। ভিমিও ফ্রি এবং পেইড উভয় ধরণের সার্ভিস দেয়। বছরে ৬০ ডলার দিয়ে আপনি আরও যে অতিরিক্ত সুবিধাগুলো পাবেন তা হল সপ্তাহে ৫ গিগাবাইট আপলোড করার সুবিধা,অসীম সংখ্যক গ্রুপ,চ্যানেল এবং এলবাম করার সুযোগ,হাই ডেফিনেশন ভিডিও আপনার সাইট এ যোগ করার সুবিধা এবং সব আপলোডে অগ্রাধীকার। তবে ভিমিও তে কোন বিজ্ঞাপন,গেমের ট্রেলার এবং পর্ণোগ্রাফিক কনটেন্ট নিষিদ্ধ।

Vimeo Home Page

Vimeo Home Page

**ভিমিও এর লিঙ্কঃ http://vimeo.com/

**একইরকম আরেকটি সাইটঃ http://www.blip.tv/

*গুগল ডকসঃ আমাদের দেশে যে অফিস ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করা হয় তার মাঝে ৯০% এ হয় মাইক্রোসফট অফিস দিয়ে যার আবার সিংহভাগই পাইরেটেড। অনেকে ওপেনফিস ব্যবহার করলেও সন্তুষ্ট নন কারণ ওপেন অফিস এর মেমরী কঞ্জাম্পশন কিছুটা বেশি। ওয়েবে বেশ কিছু অনলাইন ওয়েব অফিস প্রোডাক্টিভিটি স্যুট আছে তাদের মাঝে আমার দৃষ্টিতে সবচেয়ে ভালো মনে হয় গুগল ডকস কে। গুগল ডকস এ আপনি ওয়ার্ড প্রোসেসর,স্প্রেডশিট এনালাইযার, ফর্ম ক্রিয়েটর এবং প্রেজেন্টেশন ক্রিয়েটর আছে। আপনি এখানে বিভিন্ন ধরণের ফরম্যাট এ ডকুমেন্ট সেভ করতে পারবেন যেমন OpenOffice, HTML, PDF, RTF, Text, Word । গুগল ডকস একটি ফ্রি সার্ভিস তাই এখানে কিছু লিমিটেশন আছে যা থাকাটাই স্বাভাবিক। লিমিটেশনগুলোর মাঝে উল্লেখযোগ্য হল আপনার ডকুমেন্ট ৫০০কিলোবাইট এর বেশি হতে পারবে না, ছবি সংযুক্ত করলে তার আকার ২ মেগা বাইট এর বেশি হওয়া যাবে না। স্প্রেডশিট এর সর্বোচ্চ সীমা হল ২৫৬ কলাম, ২০,০০০ সেল এবং ৯৯টি শিট। এক সময়ে আপনি সর্বোচ্চ ৫০০০ ডকুমেন্ট এবং প্রেজেন্টেশন,১০০০ স্প্রেডশিট এবং ১০০ পিডিএফ ফাইল রাখতে পারবেন। সব মিলিয়ে খুবই ভালো একটি সার্ভিস গুগল ডকস।

Google Docs Home Page

Google Docs Home Page

**গুগল ডকস এর লিঙ্কঃ http://docs.google.com/

**একইরকম আরেকটি সার্ভিসঃ http://www.zoho.com

*অনলাইন বাংলা রেডিওঃ অনেক আগে থেকেই ইংরেজি অনলাইন রেডিও চালু থাকলেও বাংলা ভাষায় অনলাইন রেডিওর ধারণা একেবারেই নতুন। অনলাইন রেডিও শুনতে খুব বেশি কোন ব্যান্ডউইডথ লাগে না। সাধারণ সংযোগেই ভালো শুনা যায়। অনেকেই হয়ত রেডিও শুনতে চান কিন্তু ঢাকা,চট্টগ্রাম বা সিলেট এর বাইরে থাকেন। তাদের জন্য অনলাইন রেডিও গুলোই হল একমাত্র ভরসা। এখানে আপনি গানের রিকোয়েস্ট পাঠাতে পারেন মেইল করে এমনকি প্রেজেন্টার এর সাথে চ্যাট করার সুবিধাও আছে। অনলাইন এ বৈধভাবে বাংলা গান শুনতে চাইলে অনলাইন বাংলা রেডিও এর বিকল্প নেই। এখন পর্যন্ত বাংলা ভাষায় চারটি অনলাইন রেডিও আছে রেডিও ঢাকা,লেমন ২৪,রেডিও তুফান এবং গুনগুন।

The most attractive design is Lemon 24's

The most attractive design is Lemon 24's

**রেডিওঢাকাঃ http://www.radiodhaka.net/ (এক্সটার্নাল মিউজিক প্লেয়ার এও পোর্ট করা যায়)

**রেডিও গুনগুনঃ http://www.radiogoongoon.com/ (HD এবং নরমাল দুই ভাবেই গান শোনার ব্যবস্থা আছে)

**লেমন টুয়েন্টিফোরঃ http://lemon24.com/Night.php (এখানে রেডিও শোনার পাশাপাশি নিউজ ফ্ল্যাশ ও দেখতে পারবেন)

**রেডিও তুফানঃ http://www.radio2fun.com/ (আমার মতে সবচেয়ে খারাপ সার্ভিস এদের)

*ifile.it ফাইল আদান প্রদানের সার্ভিসঃ আমরা সবাই নিজেদের প্রয়োজনে ফাইল আদান প্রদান করি। আবার অনেকেই নিজের একটি ডকুমেন্ট অনেকের সাথে শেয়ার করতে চায়। এসমস্ত ক্ষেত্রে আমরা র‍্যাপিডশেয়ার ব্যবহার করি যাতে ফাইল আপলোড এবং ডাউনলোড করার সময় নানা শর্তের মুখোমুখি হতে হয়। ডাউনলোড লিমিট, এক্সটারনাল ক্লায়েন্ট ইউজ না করা, রিজ্যুম না থাকা ডাউনলোড এর সময় ওয়েট করা কোন প্যারালাল ডাউনলোড সুবিধা না থাকা আরও কত কি। কিন্তু ifile.it এর মাধ্যমে এই সব সমস্যার সমাধান করা যাবে। এটি একটি ফ্রি সার্ভিস। আপনি এখানে একাউন্ট রেজিস্টার করে কোন টাইম লিমিট ছাড়াই ফাইল নামাতে পারবেন। একই সাথে একাধিক ফাইল ডাউনলোড করতে পারবেন। ডাউনলোড ম্যানেজার ইউজ করতে পারবেন। এককথায় আপনি প্রিমিয়াম র‍্যাপিডশেয়ার একউন্ট দিয়ে যা যা করা সম্ভব ঠিক তাই তাই করতে পারবেন ifile.it দিয়ে। পার্থক্য? ifile.it পুরাটাই ফ্রি!! নিজেই ট্রাই করে দেখুন না।

iFile page

iFile page

**লিঙ্কঃ http://ifile.it/

** আমি এরকম আর কোন সার্ভিস এর কথা জানি না তবে http://box.net/ এর কাছাকাছি মানের সেবা দেয়।

পোস্টটির ব্যপারে আপনাদের সুচিন্তিত মতামত কাম্য।

সেপ্টেম্বর 30, 2009

মাইক্রোসফট এর নতুন আবিষ্কার,ভাইন!!!!!!

আমি মাইক্রোসফটকে নীতিগত কারনে এড়িয়ে চলি কিন্তু মাইক্রোসফট এর নতুন প্রোডাক্ট ভাইন সম্পর্কে একটা হাইপ তৈরী হয়েছিল তাই একটা পরীক্ষা করে দেখতে চাইলাম কি জিনিষ ঐটা। ইনভাইটেশন রিকোয়েস্ট করলাম। কিছুদিনের মাঝেই ইনভাইটেশন পেলাম। রেজিস্টার করে সফট টা ডাউনলোড করে নিলাম। ইনস্টল করে লাইভ আই ডি দিয়ে লগ ইন করলাম। এখন আপনাদের বলি জিনিষটা কি রকম।

 

 

***এখানে আপনি নির্দিষ্ট একটি জায়গা সিলেক্ট করে দিতে পারবেন আর ঐ জায়গাগুলো থেকে যারা ইউজার আছে তাদের খবরের ফীড পাবেন। ঐ ফীড গুলো নীল রঙ হয়ে থাকে। আপনি ক্লিক করলে আপনার ব্রাউজার দিয়ে ওপেন হবে। তবে আমি শুধু স্টেটস এবং কিছু ইউরোপিয়ান দেশের ফীড দেখেছি। কলকাতা দিয়ে ট্রাই করেছি লাভ হয় নাই। গোটা বাংলাদেশ থেকেও কোন ফীড পাই নাই। আর ফীড কেমনে এড করে তাও জানি না।

 

 

***এখানে আপনি একটি ইমার্জেন্সি গ্রুপ করতে পারেন। গ্রুপের যে কোন সদস্য বা পুরা গ্রুপকে আপনি মেসেজ পাঠাতে পারেন। অনেকটা টুইটার এর মত। তবে আপনার ই মেইল আই ডি জানতে হবে কাউকে ইনভাইট করতে। আমার মাথায় যেটা ঢোকে নাই তা হল মানুষ ইমার্জেন্সির সময় কম্পিউটার অন করে ভাইন চালু করে মেসেজ পাঠাবে নাকি সে তার ফোন ব্যবহার করবে? কি জানি মাইক্রোসফট এর বিল কাকু হয়ত পাঠাবেন!!!!!

 

 

***আপনি ভাইন এ ফেসবুক,লিঙ্কড ইন এবং উইন্ডোজ লাইভ এর কন্টাক্ট দেখতে পারবেন। কন্টাক্ট দের পোস্ট করা স্ট্যাটাস আপডেট ও পড়তে পারবেন।রিপোস্ট করার সুবিধাও আছে। @ রিপ্লাই আছে কিনা জানি না কারণ কানেক্ট করার মত কাউকে পাই নাই। কিন্তু কেন একজন মানুষ টুইটার ছেড়ে ভাইন এর দিকে ঝুঁকে পড়বে তা বুঝলাম না। একই কথা ফেসবুকের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

 

 

 ভাইন এর খবর পাবার ফিচারটি আমার ভাল লেগেছে কারণ সাধারণ RSS রিডার এর থেকে বেশি ভিজুয়াল ওয়েতে খবর প্রেজেন্ট করে। কিন্তু এইটার আসল উদ্দেশ্য কি তা বুঝতে আমি ব্যর্থ হয়েছি। এইটা কোন ভাবেই টুইটার এর কম্পিটিটর হতে পারে না। মাইক্রোসফট এই টুলটা টুইটার এবং ইয়াহু মেমে কে ফলো করে বানালেও আমি জানি না তাদের উদ্দেশ্য কতখানি সফল হবে বা আদৌ সফল হবে কি না।

 

 

আমার কাছে প্রচুর ইনভাইটেশন আছে। আপনারা চাইলে আমি আপনাদের আমার গ্রুপে যোগ দেবার ইনভাইটেশন পাঠাতে পারি। কারণ গ্রুপ ছাড়া শুধু টেস্ট করার ইনভাইটেশন পাঠানো যায় না। তা পেতে হলে আপনাকে মাইক্রোসফট ভাইন এর ওয়েবসাইট (http://www.vine.net/resources.aspx) এ আবেদন করতে হবে। আপনার অবশ্যই লাইভ আই ডি থাকতে হবে। 

 

 

আমার কাছে এইটা এই দশকের সবচেয়ে খারাপ আবিষ্কার বলে মনে হয়েছে। আপনাদের কাছে কি মনে হল তা আমাকে জানাবেন আশা করি। ইনভাইটেশন পাবার জন্য এখানে কমেন্ট করুন।

সেপ্টেম্বর 28, 2009

মেমে,ফ্রম ইয়াহু!!!!!

মেমে হল বিজনেস জায়ান্ট ইয়াহুর নতুন মাইক্রো ব্লগিং সাইট। ইয়াহু মূলত আরেকটি অতি জনপ্রিয় মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারকে চ্যালেঞ্জ জানানোর জন্য মেমে সার্ভিসটি চালু করেছে। মেমে এখনও আলফা স্টেজে আছে। তাই এখনই এইটার ব্যাপারে এখনই মন্তব্য করার তেমন কিছু নাই। এখন পর্যন্ত ইনভাইটেশন এর ভিত্তিতে মেমেতে রেজিস্টার করা যাচ্ছে। আমি কয়েকদিন আগে একটি ইনভাইটেশন পাই আবং বাংলাদেশ থেকে আমিই প্রথম মেমে পরীক্ষা করে দেখার সুযোগ পাই। বর্তমানে মেমের ১০-১৫ জন বাংলাদেশি সদস্য রয়েছেন। মেমেতে টুইটার এবং ফেসবুক এর মিশেল রয়েছে। এর ইউজার ইন্টারফেস টুইটার এর মত আবার ফেসবুকের কিছু অপশনও আছে। মেমেতে প্রবেশ করলেই আপনার প্রথমেই চোখে পড়বে এর আকর্ষণীয় ডিজাইন। মেমেতে আপনি গান,ছবি,ভিডিও এবং টেক্সট পোস্ট করতে পারবেন। এখানে আরও আছে রিপোস্ট করার সুবিধা আর রিপোস্ট কাউন্টার। আপনার কোন পোস্ট রিপোস্টেড হলে আপনি তা এই কাউন্টারে দেখতে প্রবেন আর কতবার রিপোস্ট হল তাও দেখতে পারবেন। মেমের আরও একটি নতুন বৈশিষ্ট হল এখানে আপনি কমেন্ট করতে পারবেন। আপনি ping.fm থেকেও আপনার মেমে আপডেট করতে পারবেন।সম্প্রতি @ রিপ্লাইও সংযোজন করা হয়েছে। কিন্তু তা @ এর পরিবর্তে / দিয়ে দিতে হবে। যেমন আপনি যদি nirjhor কে কিছু বলতে চান কমান্ড হবে /nirjhor @nirjhor নয়।

 

 

বর্তমানে মেমেতে বেশ কিছু বড় খুঁত আছে যা এর ভালো দিকগুলোকে অনেকটাই ম্লান করে দিয়েছে। তার মাঝে প্রধান অসুবিধাগুলি হল আপনার কোন পোস্ট এ কেউ কমেন্ট করলে আপনি তার জন্য কোন নোটিফিকেশন পাবেন না। সদস্যদের মাঝে মেসেজ আদানপ্রদান করার কোন উপায় নেই। ড্যাশবোর্ড এ যাবার জন্য কোন ডাইরেক্ট বাটন নেই। পাবলিক টাইমলাইন নাই।

 

 

মেমে এখনও আলফা বলে এগুলি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার সুযোগ আছে। তবে ইয়াহু যে উদ্দেশ্যে মেমে রিলিজ দিয়েছিল পুরণ এখনও পর্যন্ত হয় নাই। মেমে বর্তমানে একটি ফানি ফটো সাইট এ পরিণত হয়েছে। এখানে সবাই ফানি ফটো শেয়ার করে।

 

 

আমার কাছে কিছু ইনভাইটেশন আছে। আপনারা কমেন্ট করলে আমি ইনভাইটেশন পাঠাতে পারি।